ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের হালখাতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের হালখাতা
আন্দোলন প্রতিবেদন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ
তথাকথিত নতুন বন্দোবস্ত ও ‘গণতন্ত্র’ পুনরুদ্ধারের আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণ কী পাবেন? মালিকশ্রেণির শোষণ-নিপীড়ন, নামমাত্র মজুরি থেকে রেহাই, মনুষ্যত্ব জীবন-যাপনের অধিকার পাবেন কি? হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর বিগত দেড় বছরের ইতিহাস বলে এমন ছিটেফোঁটা পরিবর্তনের আভাসও মেলেনি। বিগত ৫৪ বছরের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় শ্রমিকশ্রেণি ও শ্রমজীবী জনগণের দুর্বিসহ জীবন-যাপনের সেই ক্ষত-বিক্ষত স্মৃতিই তাদের নিত্য সঙ্গী। ব্যবস্থার বদল বিহীন শুধু শাসকগোষ্ঠীর বা সরকার বদলের মাধ্যমে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের সংকটের ন্যূনতম পরিবর্তন আসতে পারে না। বিগত দেড়বছর তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ‘২৪-এর জুলাই-এর পরিবর্তন হচ্ছে সম্মুখ দরজা দিয়ে নেকড়ে তাড়িয়ে পেছনের দরজা দিয়ে বাঘের প্রবেশ মাত্র। ছাত্র-তরুণ, শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল তা সাম্রাজ্যবাদের চিহ্নিত দালাল শাসকশ্রেণিতো বটেই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতৃত্বদের একাংশ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। শাসকশ্রেণির সাথে, এমনকি ’৭১-এর রাজাকার জামাতের সাথে গাঁটছাড়া বেধে ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগ বসাতে তারা এখন ব্যস্ত।
দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার সিংহ ভাগের যোগান দাতা গার্মেন্ট শ্রমিক। যাদের অমানবিক শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আয় আত্মসাৎ করেই মালিকশ্রেণি দেশে বিদেশে বাড়ি-গাড়ি ভোগ-বিলাসি জীবন যাপন করছে। সেই শ্রমিকরা শিল্প-পুলিশের পাহারায় অঘোষিত কারাগারে বন্দি জীবন পার করছেন। শ্রমিকদের ন্যায়সংগত অধিকার বাদই দিলাম, সাম্রাজ্যবাদী আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএলও কতর্ৃক স্বীকৃত ন্যূনতম মজুরি, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, অবসর ভাতা, চিকিৎসা নিশ্চিয়তা, সবেতন মাতৃত্বকালীন ছুটি সহ সকল অধিকার পাবেন কি? শাসকশ্রেণির রাজনীতি করতে শ্রমিকদের কোনো বাধা নেই, কিন্তু নিজ শ্রেণির রাজনীতির সাথে সক্রিয়তার গন্ধ পাওয়া মাত্রই ফ্যাক্টরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায়সংগত আন্দোলনে পুলিশের গুলি, অগ্নিদগ্ধ হয়ে, ভবন ধ্বসে শ্রমিক গণহত্যা, অকারণে শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে/হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বুর্জোয়া দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে গার্মেন্ট শ্রমিকদের অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন, অসম্মান, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ বন্ধ, গণহত্যা বিচারের কথা আছে কি? রাষ্ট্রীয় মদদে অসংখ্য তরুণ-তরুণী দেশি-বিদেশি দালালদের প্রতারণায় ভিটে মাটি হারিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রবাসে গিয়েও অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তাদের রেমিটেন্সে সরকারের কোষাগার চলে। অথচ রাষ্ট্রীয় দূতাবাসগুলো মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে। নামমাত্র মজুরিতে পরিবহণ শ্রমিকের জীবন বাজি রাখা উপার্জনে দেশীয় পরিবহণ মালিক এবং বিদেশি কোম্পানিগুলো টাকার পাহাড় গড়ছে। পরিবহণ শ্রমিকদের বাস ইজারা দিয়ে সামন্ততান্ত্রিক শোষণ করে বাস মালিকরা। এর সাথে যুক্ত হয় রাষ্ট্রযন্ত্র, তার পুলিশ-সার্জেন্ট-বিআরটি ইত্যাদির চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মারপিট, গাড়ি আটকে রাখা ইত্যাকার নিপীড়ন। পরিবহণ শ্রমিকদের কাজের নিশ্চয়তাও থাকে না। দূর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের বেঁচে থাকতে হয় ভিক্ষা বৃত্তি করে।
পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা হয় এমপি সাজাহান খানের মতো পান্ডা ধনকুবের শয়তানরা। ইঁটভাটা-নির্মাণ শ্রমিক প্রচণ্ড রোদকে উপেক্ষা করে অমানবিক পরিশ্রম করে আবাসন ও রাস্তাঘাটের ভিত্তি তৈরি করছেন। অথচ তাদের আবাসন যাযাবরি পর্ণ কুটির। ইঁটভাটার মালিক শ্রমিকদের দাদনের ফাঁদে ফেলে নামমাত্র মজুরিতে ১২ ঘণ্টা খাটিয়ে নিচ্ছে। অথচ পুরো বর্ষা মৌসুমেই তাদের বেকার থাকতে হয়। হোটেল, টেক্সটাইল শ্রমিকদের নামমাত্র হাজিরায় দৈনিক ১২ ঘণ্টা পরিশ্রমে বাধ্য করা হচ্ছে। চা শ্রমিকের দৈনিক হাজিরা মাত্র ১৪৫ টাকা। কাঠমিস্ত্রি-রংমিস্ত্রি-জুতা-কারিগরি, ইলেকট্রনিক মিস্ত্রী, চামড়া প্রসেসিং, দর্জি, চুলকাটা শ্রমিক, সিকিউরিটি গার্ড, গৃহপরিচারিকা, পরিচ্ছন্ন কর্মী, মুটে, বেকারি শ্রমিক, ক্ষুদে দোকানিসহ সর্বস্তরের শ্রমজীবী জনগণ অবর্ণনীয় অসম্মানজনক মানবেতর অনিশ্চিত জীবন-যাপন করছেন। লক্ষ কোটি শ্রমিক-শ্রমজীবীদের সন্তানরা বেকারত্বের অভিশপ্ত জীবনের ঘানি টানছেন। উল্লেখিত শ্রমিক ও শ্রমজীবী জনগণ যারা উৎপাদক শ্রেণির শ্রম শোষণ-লুন্ঠণ করে চলেছে শাসক সামরিক-বেসামরিক আমলা, বড় ব্যবসায়ী, এনজিও-কর্তা, ধর্ম ব্যবসায়ী বড় ধনীশ্রেণি। এবং তাদের প্রভু মার্কিন-চীন-রাশিয়াসহ সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ। এটা আয়নার মতো পরিষ্কার যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই প্রতিক্রিয়াশীল লুটেরা গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাই ক্ষমতায় আসবে। তাই বদল হবে না শ্রমিক ও শ্রমজীবী জনগণের ভাগ্য।
তাই শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের মুক্তির উপায় একটাই– নিপীড়িত শ্রেণির মুক্তির মতবাদ মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের ভিত্তিতে বিদ্যমান শোষণমূলক ব্যবস্থার উচ্ছেদ এবং শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদী সমাজের লক্ষ্যে সংগ্রাম গড়ে তোলা।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের হালখাতা
তথাকথিত নতুন বন্দোবস্ত ও ‘গণতন্ত্র’ পুনরুদ্ধারের আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণ কী পাবেন? মালিকশ্রেণির শোষণ-নিপীড়ন, নামমাত্র মজুরি থেকে রেহাই, মনুষ্যত্ব জীবন-যাপনের অধিকার পাবেন কি? হাসিনা-আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর বিগত দেড় বছরের ইতিহাস বলে এমন ছিটেফোঁটা পরিবর্তনের আভাসও মেলেনি। বিগত ৫৪ বছরের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় শ্রমিকশ্রেণি ও শ্রমজীবী জনগণের দুর্বিসহ জীবন-যাপনের সেই ক্ষত-বিক্ষত স্মৃতিই তাদের নিত্য সঙ্গী। ব্যবস্থার বদল বিহীন শুধু শাসকগোষ্ঠীর বা সরকার বদলের মাধ্যমে শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের সংকটের ন্যূনতম পরিবর্তন আসতে পারে না। বিগত দেড়বছর তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ‘২৪-এর জুলাই-এর পরিবর্তন হচ্ছে সম্মুখ দরজা দিয়ে নেকড়ে তাড়িয়ে পেছনের দরজা দিয়ে বাঘের প্রবেশ মাত্র। ছাত্র-তরুণ, শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছিল তা সাম্রাজ্যবাদের চিহ্নিত দালাল শাসকশ্রেণিতো বটেই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের নেতৃত্বদের একাংশ ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। শাসকশ্রেণির সাথে, এমনকি ’৭১-এর রাজাকার জামাতের সাথে গাঁটছাড়া বেধে ক্ষমতার হালুয়া-রুটির ভাগ বসাতে তারা এখন ব্যস্ত।
দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার সিংহ ভাগের যোগান দাতা গার্মেন্ট শ্রমিক। যাদের অমানবিক শ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আয় আত্মসাৎ করেই মালিকশ্রেণি দেশে বিদেশে বাড়ি-গাড়ি ভোগ-বিলাসি জীবন যাপন করছে। সেই শ্রমিকরা শিল্প-পুলিশের পাহারায় অঘোষিত কারাগারে বন্দি জীবন পার করছেন। শ্রমিকদের ন্যায়সংগত অধিকার বাদই দিলাম, সাম্রাজ্যবাদী আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএলও কতর্ৃক স্বীকৃত ন্যূনতম মজুরি, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, অবসর ভাতা, চিকিৎসা নিশ্চিয়তা, সবেতন মাতৃত্বকালীন ছুটি সহ সকল অধিকার পাবেন কি? শাসকশ্রেণির রাজনীতি করতে শ্রমিকদের কোনো বাধা নেই, কিন্তু নিজ শ্রেণির রাজনীতির সাথে সক্রিয়তার গন্ধ পাওয়া মাত্রই ফ্যাক্টরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। শ্রমিকদের ন্যায়সংগত আন্দোলনে পুলিশের গুলি, অগ্নিদগ্ধ হয়ে, ভবন ধ্বসে শ্রমিক গণহত্যা, অকারণে শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে/হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বুর্জোয়া দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে গার্মেন্ট শ্রমিকদের অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন, অসম্মান, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ বন্ধ, গণহত্যা বিচারের কথা আছে কি? রাষ্ট্রীয় মদদে অসংখ্য তরুণ-তরুণী দেশি-বিদেশি দালালদের প্রতারণায় ভিটে মাটি হারিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে প্রবাসে গিয়েও অবর্ণনীয় নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তাদের রেমিটেন্সে সরকারের কোষাগার চলে। অথচ রাষ্ট্রীয় দূতাবাসগুলো মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকে। নামমাত্র মজুরিতে পরিবহণ শ্রমিকের জীবন বাজি রাখা উপার্জনে দেশীয় পরিবহণ মালিক এবং বিদেশি কোম্পানিগুলো টাকার পাহাড় গড়ছে। পরিবহণ শ্রমিকদের বাস ইজারা দিয়ে সামন্ততান্ত্রিক শোষণ করে বাস মালিকরা। এর সাথে যুক্ত হয় রাষ্ট্রযন্ত্র, তার পুলিশ-সার্জেন্ট-বিআরটি ইত্যাদির চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, মারপিট, গাড়ি আটকে রাখা ইত্যাকার নিপীড়ন। পরিবহণ শ্রমিকদের কাজের নিশ্চয়তাও থাকে না। দূর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের বেঁচে থাকতে হয় ভিক্ষা বৃত্তি করে।
পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা হয় এমপি সাজাহান খানের মতো পান্ডা ধনকুবের শয়তানরা। ইঁটভাটা-নির্মাণ শ্রমিক প্রচণ্ড রোদকে উপেক্ষা করে অমানবিক পরিশ্রম করে আবাসন ও রাস্তাঘাটের ভিত্তি তৈরি করছেন। অথচ তাদের আবাসন যাযাবরি পর্ণ কুটির। ইঁটভাটার মালিক শ্রমিকদের দাদনের ফাঁদে ফেলে নামমাত্র মজুরিতে ১২ ঘণ্টা খাটিয়ে নিচ্ছে। অথচ পুরো বর্ষা মৌসুমেই তাদের বেকার থাকতে হয়। হোটেল, টেক্সটাইল শ্রমিকদের নামমাত্র হাজিরায় দৈনিক ১২ ঘণ্টা পরিশ্রমে বাধ্য করা হচ্ছে। চা শ্রমিকের দৈনিক হাজিরা মাত্র ১৪৫ টাকা। কাঠমিস্ত্রি-রংমিস্ত্রি-জুতা-কারিগরি, ইলেকট্রনিক মিস্ত্রী, চামড়া প্রসেসিং, দর্জি, চুলকাটা শ্রমিক, সিকিউরিটি গার্ড, গৃহপরিচারিকা, পরিচ্ছন্ন কর্মী, মুটে, বেকারি শ্রমিক, ক্ষুদে দোকানিসহ সর্বস্তরের শ্রমজীবী জনগণ অবর্ণনীয় অসম্মানজনক মানবেতর অনিশ্চিত জীবন-যাপন করছেন। লক্ষ কোটি শ্রমিক-শ্রমজীবীদের সন্তানরা বেকারত্বের অভিশপ্ত জীবনের ঘানি টানছেন। উল্লেখিত শ্রমিক ও শ্রমজীবী জনগণ যারা উৎপাদক শ্রেণির শ্রম শোষণ-লুন্ঠণ করে চলেছে শাসক সামরিক-বেসামরিক আমলা, বড় ব্যবসায়ী, এনজিও-কর্তা, ধর্ম ব্যবসায়ী বড় ধনীশ্রেণি। এবং তাদের প্রভু মার্কিন-চীন-রাশিয়াসহ সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ। এটা আয়নার মতো পরিষ্কার যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই প্রতিক্রিয়াশীল লুটেরা গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাই ক্ষমতায় আসবে। তাই বদল হবে না শ্রমিক ও শ্রমজীবী জনগণের ভাগ্য।
তাই শ্রমিক-শ্রমজীবী জনগণের মুক্তির উপায় একটাই– নিপীড়িত শ্রেণির মুক্তির মতবাদ মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের ভিত্তিতে বিদ্যমান শোষণমূলক ব্যবস্থার উচ্ছেদ এবং শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে নয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদী সমাজের লক্ষ্যে সংগ্রাম গড়ে তোলা।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র